আজ সাদ্দাম হোসেনের জন্ম দিস

ফিচার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  1. আজ সাদ্দাম হোসেন আবদুল মাজিদ আল তিকরিতির জন্মদিন। ১৯৩৭ সালের ২৮ এপ্রিল তিনি জন্ম গ্রহন করেন। জুলাই ১৬, ১৯৭৯ থেকে এপ্রিল ৯, ২০০৩ নাগাদ ইরাকের রাষ্ট্রপতি ছিলেন তিনি।


প্রথমে সাদ্দাম হোসেন জেনারেল আহমেদ হাসান আল বকরের উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সেই সময় সাদ্দাম দৃঃঢ় ভাবে সরকার ও সামরিক বাহিনীর মধ্যকার বিরোধের অবসান ঘটান। এই উদ্দেশ্যে তিনি নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করেন। ইরাকের রাষ্ট্রপতি ও বাথ পার্টির প্রধান হিসেবে সাদ্দাম হোসেন আরব জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম নিরপেক্ষ ও আধুনিক ইরাক গড়ে তুলতে প্রয়াস নেন।এসময়ই সাদ্দাম ইরানের সাথে ৯ বছরের যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন (১৯৮০-১৯৮৮)। ইরাক-ইরান যুদ্ধের পরে ১৯৯১-এ সাদ্দাম উপসাগরীয় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সাদ্দাম তার মতে ইরাকের স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধের সকল পক্ষকে নির্মুল করার উদ্যোগ নেন। এই বিরুদ্ধ পক্ষে ছিল উপজাতীয় ও ধর্মীয় গোত্র গুলো যারা স্বাধীনতা দাবি করছিল। যেমন, ইরাকি শিয়া মুসলমান, কুর্দি, ইরাকি তুর্কি জনগন। ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে কতিপয় দেশ ইরাক আক্রমণ করে। তাদের যুক্তি ছিল যে, সাদ্দাম ব্যাপক ধ্বংসাত্বক জীবানু অস্ত্র তৈরি করছেন (যদিও যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে এমন কোন অস্ত্রের হদিস পাওয়া যায় নাই)। ১৩ ডিসেম্বর ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন আমেরিকান সেনাদের কাছে ধরা পড়েন। পরবর্তিতে আমেরিকা সাদ্দাম হোসেনের বিচার করে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইরাকি সময় সকাল ৬.০৬ মিনিটে ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসি কার্যকর হয়।সাদ্দাম আব্দ আল মাজিদ আল তিকরিতি ইরাকি শহর তিকরিত থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আল-আওজা শহরে আল-বেগাত নামে একটি মেষপালক গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। আল-বেগাত গোত্রটি আল-বু নাসির (البو ناصر) গোত্রের অন্তর্গত। তাঁর মা, সুবহা তুলফা আল মুসসালাত তাঁর নবজাতক পুত্রের নাম রাখেন সাদ্দাম, যার আরবি মানে “যিনি মোকাবেলা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.