কলারোয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে চলছে ঘুষ লেনদেন

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কলারোয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে চলছে ঘুষ লেনদেন। কলারোয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ঘুষ লেনদেন, দালালের দৌরাত্ম্য, জমির শ্রেণি পরিবর্তনের নামে রাজস্ব ফাঁকি ও সাব-রেজিষ্ট্রার সাহিদুর রহমানের বদলি অর্ডার হওয়ার কারনে তাঁর শেষ অফিস দিনে রেজিস্ট্রেশনের নামে অবৈধভাবে বিভিন্ন ফি আদায়সহ নানা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে প্রকাশ্য টাকা লেনদেনের ছবি ভিডিও ধারন করা হয়। অবৈধ টাকা লেনদেনের বিষয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার সাহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি খাস কামরায় গিয়ে কথা বলবেন বলে সাংবাদিকদের বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন।  তবে তিনি এ সময় সাংবাদিকদের বসিয়ে রেখে দলিল রেজিষ্ট্রি না করেই অফিস থেকে চলে যান।

তথ্য সংগ্রহের সময় স্থানীয় দালাল চক্রের তোপের মুখে পড়েন সংবাদকর্মীরা। এ সময় কলারোয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদেরকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় মির্জাপুর গ্রামের জয়নুদ্দিনের ছেলে সন্ত্রাসী, দালাল, ইভটিজিং মামলার সাজাভোগকারী আসামী সুমন হোসেন, দালাল আলমগীর মাষ্টারসহ অজ্ঞাত কিছু দালালদের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সরকারি ফি’র বাইরে ঘুষ না দিলে কোনো কাজ হয় না কলারোয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে যেয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। দলিলের নকল তুলতে সরকারি ফি ২৭০ টাকার বিপরীতে সেবাগ্রহীতাদের গুনতে হয় দেড় হাজার টাকা। সরকারি ফি’র বাইরে পুরো টাকাই যায় সাব-রেজিস্ট্রার মো: সাহিদুর রহমানের পকেটে।

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের মানুষ বার বার নৌকায় ভোট দেয়

কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নকল নবীশ আবুল খায়ের ও মহাসিন এই ঘুষের টাকার লেন দেন করেন।

সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, কোবলা দলিল করতে ব্যাংক চালানের পরও অতিরিক্ত এক লাখে এক হাজার টাকা হারে দিতে হয় সাব-রেজিষ্ট্রারকে ও এক হাজার টাকা হারে দিতে হয় দলিল লেখক সমিতির নামে।

সেবা ও গ্রহিতার মূল ভোটার আই.ডি কার্ড না থাকলে ১০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। এস.এ এবং বি.এস খতিয়ান যদি তহসিল অফিসের হয় তাহলে সাব-রেজিস্ট্রারকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। যদিও তহসিল অফিসের এসব খতিয়ান দিয়ে দলিল না করতে প্রজ্ঞাপন জারি রয়েছে। এছাড়া দলিলের মূল কপি ছাড়া দলিল করতে গ্রাহক ফটোকপি নিয়ে আসলে সাব-রেজিস্ট্রারকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় বলে জানা গেছে।

দলিল লেখকের সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের খাস কামরার দরজা বন্ধ করে প্রতিজনের সঙ্গে আলাদাভাবে প্রতিটি দলিলের জন্য আলাদা আলাদা চুক্তি করতে হয়। খায়েরকে দিয়ে দলিল লেখকদের সঙ্গে টাকা লেনদেন করেন সাব-রেজিস্ট্রার।

এ বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী জেরিন কান্তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, উপযুক্ত প্রমান পেলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। -কলারোয়া সংবাদদাতা।

ভিজিট করুন