মেসার্স সুপার ব্রিকসকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালতের রায়

কেশবপুরের সুপার ব্রিকসকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালতের রায়

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মেসার্স সুপার ব্রিকসকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালতের রায়

মেসার্স সুপার ব্রিকসকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালতের রায়

যশোর জেলাধীন কেশবপুর উপজেলার অন্তর্গত সাতবাড়িয়া মৌজায় নির্মিত “মেসার্স সুপার ব্রিকস” নামক ইটভাটাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদান করেছেন মহামান্য আদালত।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক দায়েরকৃত জনস্বার্থমূলক মামলার (মামলা নং ৪৭৯৩/২০১৮) শুনানী শেষে আজ (০৩ নভেম্বর, ২০২০) বিচারপতি জনাব মোঃ আশফাকুল ইসলাম এবং বিচারপতি জনাব মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের একটি ডিভিশন বে ভার্চুয়াল কোর্টে এ রায় ঘোষণা করেন।

সেইসাথে রায়ে ইটভাটাটির স্থাপনাকে বর্তমানে প্রচলিত আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত তৈরি করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালত বিবাদীগণকে রায়ের নির্দেশনা মেনে চলার আদেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) যশোর জেলাধীন কেশবপুর উপজেলার উত্তর সাতবাড়িয়া গ্রামের সাতবাড়িয়া মৌজাস্থ ১৫০৪ নং খতিয়ানের ৪১৫৭ নং দাগে পরিচালিত ”মেসার্স সুপার ব্রিকস” নামক ইট ভাটার অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে একটি জনস্বার্থমূলক মামলা (নং ৪৭৯৩/২০১৮) দায়ের করে।

মামলার প্রাথমিক শুনানী শেষে গত ০৯ এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে বিচারপতি জনাব মঈনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি জনাব মোঃ আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের একটি ডিভিশন বে কৃষি জমিতে লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতীত আইন বহির্ভূতভাবে নির্মিত “মেসার্স সুপার ব্রিকস” এর কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে বিবাদীগণের উপর রুল জারী করেন।

এছাড়াও ১২নং (সত্ত্বাধিকারী, মেমার্স সুপার ব্রিকস) বিবাদী কর্তৃক নির্মিত মেসার্স সুপার ব্রিকস এর সকল কার্যক্রম হতে বিরত থাকার আদেশ প্রদান করেন এবং আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা সে মর্মে একটি প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিলের জন্য জেলা প্রশাসক (যশোর জেলা), পুলিশ সুপার (যশোর) ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন আদালত।

মামলার বিবাদীগণ ছিলেন- সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়; সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়; মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর; বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা বিভাগ; জেলা প্রশাসক, যশোর জেলা; পুলিশ সুপার, যশোর; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কেশবপুর, যশোর; পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর, যশোর জেলা কার্যালয়; চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, কেশবপুর, যশোর; সহকারী কমিশনার (ভূমি), কেশবপুর, যশোর; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, কেশবপুর, যশোর; ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কেশবপুর থানা, যশোর; সত্ত্বাধিকারী (জনাব মোঃ ফারুকুল ইসলাম), মেসার্স সুপার ব্রিকস, সাং-সাতবাড়িয়া, উপজেলা- কেশবপুর, যশোর। বেলা‘র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এ্যাডভোকেট আলী মুস্তাফা খান।  ভিজিট করুন

কেশবপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দখলমুক্ত হলো ভূমিহীন সালেহা খাতুনের জমি