কেশবপুরে কৃষকদের বাঁচাতে বিল গরালিয়া আহবায়ক কমিটি গঠন

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেশবপুর বিল গরালিয়ার ১৭ গ্রামের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে উপজেলার বড়েঙ্গা গেট সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে পানি নিষ্কাশন কমিটির আয়োজনে এই জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিল গরালিয়া পানি নিষ্কাশন কমিটির সভাপতি মজিবার রহমান চাঁনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, পানি নিষ্কাশন কমিটির সাধারন সম্পাদক নওসের আলী, সাবেক মেম্বর মুনসুর আলী, ঘের মালিক রেজাউল ইসলাম, ঘের মালিক মিল্টন, ইন্তাজ আলী নুনু, তুহিন রেজা, ইসলাম উদ্দীন,আল হেলাল, ফারুক হোসেনসহ বিল গরালিয়ার জমির মালিকগন ও ঘের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সর্ব-সম্মতিক্রমে মজিবার রহমান চাঁনকে আহবায়ক এবং নওসের আলী ও সাবেক মেম্বর মুনছুর আলীকে যুগ্ন আহবায়ক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি নতুন কমিট গঠন করা হয়।

কেশবপুরে কৃষকদের বাঁচাতে বিল গরালিয়া আহবায়ক কমিটি গঠন

বিল গরালিয়ার ১৭ গ্রামের পানি সরবরাহের একমাত্র পথ হল বিল গরালিয়ার সরকারী খাল। এই সরকারী খাল দিয়ে পানি সরবরাহে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। সরকারী খালে পাটা ও ঘেরে পানি আটকিয়ে রাখার কারনে বিল গরালিয়ার ১৭ গ্রামের নিন্ম অঞ্চলের অনেক বাড়ী এখনো পানিবদ্ধ। পানিবন্ধি মানুষরা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলেছে। গুটি কয়েক অসাধু ঘের মালিকদের কারনে গতবছর ইরি-বোরো মৌসুমে বিল গরালিয়ার ১৭ গ্রামের কৃষকরা ধান চাষ থেকে বঞ্চিত হয়।

এলাকার কৃষকরা এখন চরম অভাব-অনাটনের মধ্য দিয়ে বসবাস করছেন। অসাধু ঘের মালিকরা জমির মালিকদের বারোমাসি মৎস্য চাষের জন্য প্রস্তাব দেয়। কৃষকরা কিছু বলতে গেলে হারির টাকা নিয়ে টানবাহানার ভয়ে কথা বলতে পারছেন না। আগামী ইরি-বোরো চাষের দিকে তাকিয়ে এই এলাকার কৃষকরা এখনও আশায় বুক বেঁধে আছে। ১৭ গ্রামের কৃষকদের কথা চিন্তা করে আগামী ইরি-বোরো মৌসুমে বিল গরালিয়ায় যাতে ধান চাষ হয় সেই লক্ষে বিল গরালিয় পানি নিষ্কাশন কমিটির আয়োজনে এই জরুরী সভার আয়োজন।

কমিটির আহবায়ক মজিবার রহমান চাঁন বলেন, বিল গরালিয়ার ১৭ গ্রামের কৃষকদের পরিবার ধান চাষের উপর নির্ভরশীল। আর পানি সম্প্রসারনের উপর নির্ভর করছে আগামী ইরো-বোরো চাষ। সরকারী খাল দিয়ে পানি সরবরাহে বাঁধা সৃষ্টিকারী যেই হোক আগামী ইরি-বোরো চাষের স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাই হবে এই কমিটির ঈমানী দ্বায়িত্ব।-সোহেল পারভেজ জোয়াদ্দার।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.