কেশবপুরে দ্বিতীয় দিনে ক্লিনিক প্যাথলজিতে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান ৫প্যথলজিসহ র্ফাসেমী বন্ধ ঘোষনা স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 কেশবপুরে দ্বিতীয় দিনে ক্লিনিক ও প্যাথলজি প্রতিষ্ঠানের বৈধতা ও স্বাস্থ্য সেবায় মান যাচায়ে মঙ্গলবার সকালে ৬টি ক্লিনিক ও ১০টি প্যাথলজিতে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান পরিচালিত হয়েছে । দ্বিতীয় দিনে যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় তার সাথে ছিলেন, যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মীর আবু মাউদ, যশোর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাসিম ফেরদৌস, অফিস সহকারী পার্থ প্রতীন লাহেরী, কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলমগীর হোসেন, ডাঃ জাহিদুর রহমান(আর.এমও) জয়যাত্রা টেলিভিশনের যশোর জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্যাহ আল মাহাফুজ,দৈনিক কল্যাণ পত্রিকার কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও নিউজ ক্লাবের প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান, দৈনিক গ্রামের কাগজ পত্রিকার কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুল্যাহ আল ফুয়াদ।

সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত একটানা এই অভিযান চলে। এসময় যন্ত্রপাতি, কাজপত্রে ত্রুটি-বিচ্চুতি বৈধতা ও স্বাস্থ্য সেবায় মান যাচায়ে থাকার অভিযোগে কেশবপুর শহরের রাইজিং, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জিয়া র্ফামেসী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষনা দেন।জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন অভিযান পরিচালনাকালে মর্ডাণ হাসপাতাল ও কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল, ক্লিনিকের বিভিন্ন ডাক্তারের নামের সাইন বোর্ড নামিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন, তিনি সেই সাথে মর্ডাণ হাসপাতাল ও কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল, ক্লিনিকে বেশি রুগি থাকায় ১০ জন বাদে সব রুগিকে ক্লিনিকে থেকে নামিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেন। মর্ডাণ হাসপাতাল ও কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল, ক্লিনিকসহ সব ক্লিনিকে ১০ জনের বেশি রুগি ভর্তি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। মনোয়ার ডায়াগষ্ঠিক সেন্টারের জায়গা কম থাকায় ২ দিনের মধ্যে বেশি জায়গায় ডায়াগষ্ঠিক সেন্টার করার পরামর্শ দেন।

এর আগে শনিবার সকালে ক্লিনিক ও প্যাথলজি প্রতিষ্ঠানের বৈধতা ও স্বাস্থ্য সেবায় মান যাচায়ে যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মীর আবু মাউদ,আরিয়ান, হিরা, সাতবাড়িয়া ডিজিট্যাল ও কেশবপুর মার্তৃমঙ্গল ক্লিনিকের প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সার্বিক কার্য্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করেন। এছাড়া অভিযানকালে কেশবপুর হেল্থ কেয়ার হসপিটল, মর্ডা, কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল, মাইকেল, মাতৃমঙ্গল ও কেশবপুর সার্জিক্যাল ক্লিনিক এবং ক্রিস্টল, মনোয়ারা, রাইজিং, হোসেন, পেয়ারলেস ও আল রাইজা প্যাথলজি সেন্টারের মালিকদেরকে ত্রুটিপূর্ন যন্ত্রপাতি ও প্রতিষ্ঠানের সকল কাগজপত্র যথা সময়ে ঠিকঠাক করার প্রাথমিক হুশিয়ারী প্রদান করেন। অন্যথায় আগামীতে যে কোন সময় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অভিযান পরিচালনাকালে জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিনে দেশের সকল ক্লিনিক ও প্যাথলজি প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবার মান, নিয়মিত ডাক্তার (এমবিবিএস), ডিপ্লোমাধারী নার্স ও টেকনিশনের কাগজ পত্র ঠিক আছে কিনা তা নিয়ে যাচাই-বাচাই শুরু হয়েছে। কেশবপুরে এই অভিযান তারই একটি অংশ। ভবিষ্যতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.