কেশবপুরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়ার অভিযোগ

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেশবপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী কার্ড করে দীর্ঘ দিন টাকা উত্তলনের অভিযোগ পাওয় গেছে। উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৭নং রাজনগর বাঁকাবর্শি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম তার এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির নামে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে অর্থের বিনিময় বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে টাকা উত্তলনের সুযোগ করে দিয়েছেন বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে.।

সরজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে জানা গেছে এলাকার মৃত সবর সরদারের পুত্র আমজেদ সরদার নিজে প্রতিবন্ধী না হয়েও প্রতিবন্দীর কার্ড করে এক বছর যাবত টাকা উত্তলন করছে। তারই আপন বোন রাশিদা খাতুন বিবাহ না করে বিধবা ভাতার কার্ড করে টাকা উত্তলন করে আসছে। যার বই নং ০৭/৫১। এদের প্রতিবেশি আফসার সরদারের স্ত্রী আবিরন বিবি জাতীয় পরিচয় প্রত্রে জন্ম তারিখ ১৯৬৯ সালের ৬ই জুন অথচ তার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড তৈরী করে ২০১১ সাল হতে ভাতা উত্তলন করে আসছে। বর্তমান তার বয়স ৫০ বছর হইনি। একই এলাকার হযরত সরদারের স্ত্রী মকরজান বেগম বিধবা ভাতার কার্ড করেছে। তাদের সাথে কথা বলতে গেলে সাংবাদিকদরে উপস্থিতি টের পেয়ে তার স্বামিকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান।

এদিকে হযরত সরদারের পুত্র মোঃ শাহীন আলম একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসি। তারনামে প্রতিবন্ধীর কার্ড করে নমিনি হিসাবে তার মাতা দির্ঘদিন টাকা উত্তলন করছে। এব্যাপারে তার মা সাংবাদিকদের বলেন ছেলে জন্ম প্রতিবন্ধী ছিল । অপারেশনের পরে পা ভাল হয়ে গেলে সে সিংঙ্গাপুর চলে যায়। আমি নমিনী হিসেবে তার প্রতিবন্ধী কার্ডের টাকা উত্তলন করি।

এ ব্যাপারে এলাকার আব্দূল মান্নান জানান আমাদের এলাকার বেজাউল মেম্বর বিভিন্ন মানুষের নিকট থেকে টাকা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রকার ভাতা কার্ড তৈরী করে দেয় । অথচ প্রকৃত যারা কার্ড পাওয়ার যোগ্য তাদের কার্ড হচ্ছে না।

ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম বলেন বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী কার্ড করে কারোর নিকট হতে টাকা গ্রহনের অভিযোগটি মিথ্যা। বয়স্কদের কার্ড করার সময় বয়েসের ক্ষেত্রে আগে ৪২ বছরে কার্ড করা যেত এখন সেটা ৬০/৬২ করেছে আপনারা সমাজ সেবা অফিসের সাথে কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান বলেন এলাকাবাসির পক্ষে উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে যা তদন্তেন জন্য সমাজ সেবা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছি।

উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন অভিযোগের সত্যতা প্রমান হলে কার্ড বাতিল পুর্বক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।-এম এ রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.