খালেদা জিয়া সরকারবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে না জড়াতে সজাগ

খালেদা জিয়া সরকারবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে না জড়াতে সজাগ

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সরকারবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে না জড়াতে সজাগ রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। যার কারণে যেসব বিএনপি নেতা সরকারবিরোধী আচরণ করছে তাদের শোকজ করা হচ্ছে। খালেদার এ আচরণ সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন খোদ দলটির সিনিয়র নেতারা। কারণ খালেদার আচরণে বিএনপি গৃহপালিত দলে পরিণত হয়েছে।

বিএনপির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, দুর্নীতি মামলায় জেলে যাওয়ার পর আন্দোলন ও আদালতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত সরকারের কাছে দেন-দরবার করে জামিনে মুক্তি পান বেগম জিয়া। বলা হয়, মুচলেকায় অন্যায় বা অবৈধভাবে সরকারবিরোধী আন্দোলন না করার ওয়াদা করেই জামিনে মুক্তি আদায় করেছেন বিএনপি নেত্রী। যার কারণে হঠাৎ যেকেউ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলে কিংবা চেষ্টা করলে তাদের দলীয় নেত্রীর নির্দেশে শোকজ করা হচ্ছে।

বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা মনে করছেন, নিজের মুক্তির মেয়াদ বাড়াতেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বিএনপি প্রধান। যার কারণে আন্দোলনের প্রচেষ্টা করলেই নেতাদের বকা-ঝকা করছেন বিএনপি নেত্রী। তিনি আর আপসহীন নন, নিজের মুক্তির জন্য খালেদা জিয়া বিএনপিকে গৃহপালিত দলে পরিণত করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খালেদা জিয়া ২৫ মাস জেল খেটেছে। শেষ বয়সে তিনি জেল আতঙ্কে ভুগছেন। দুর্নীতি ও অপকর্মের কারণে এখন খালেদা জিয়ার প্রতিবাদের সৎ সাহস নেই। তাই আপস করেছেন তিনি। জেলে যেন আর না যেতে হয়, সেজন্য সব কিছুই করছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। এজন্য বাকিটা জীবন খালেদা জিয়া বিএনপিকে গৃহপালিত দলে পরিণত করে রাখতে চান।

এদিকে খালেদার দুর্বলতা ও তারেকের অপকর্মের কারণে বিএনপির মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে বিএনপি জাতীয় পার্টির মতো আগামীতে ভেঙে টুকরো হয়ে যাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। খবর- বাংলা নিউজ ব্যাংক।  ভিজিট করুন

দু’জন অডিটরকে ৪ লাখ ১৬ হাজার নগদ টাকাসহ গ্রেফতার করেছে দুদক