গদখালীতে এক সময় থানা ছিল

গদখালীতে এক সময় থানা ছিল

কলাম ও ফিচার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

যশোরের গদখালীতে এক সময় থানা ছিল। এখানে একটি নীলকুঠিও ছিল। ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে কপোতাক্ষ নদের পশ্চিমাঞ্চল নদীয়া জেলা থেকে যশোর জেলা ভুক্ত হয়। তখনই গদখালীতে থানা স্থাপনের প্রয়োজন দেখা দেয়।

ওই সময় গদখালীতে পানীয় জলেরও সংকট দেখা দেয়। পানীয় জলের সংকট দেখা দিলে ২ কিলোমিটার পুর্ব দিকে এগিয়ে নিয়ে বেনেয়ালীতে থানা স্থাপিত হয়। কিন্তু থানার নাম গদখালী নামেই থাকে।

চাঁচড়ার রাণী কাশেশ্বরী ওই অঞ্চলে বেশ কয়েকটি পুকুর খনন করে পানীয় জলের অভাব পুরণ করেন।

আরও পড়ুন-যশোরে বিচার ব্যবস্থায় যাঁরা দায়িত্ব পালন করেছেন

বর্তমান থানাস্থলে অতীতে প্রকাশ্যে ছিনতাই হতো। ১৮০০ শতকে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জেমস উইন্টলির ২১ আগস্ট পত্রে জানা যায়, যশোর-কলকাতা সড়কে ‘বেনেয়ালী’ ছিল ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ওই অঞ্চলে তখন শিকারী সম্প্রদায়ের লোক বাস করত। অন্ধকার রাতে তারা চুরি করত এবং জ্যোৎস্না রাতে বাড়িতে থাকত।

যশোরের জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এর ভয়ে যশোর ছেড়ে নদীয়া, ২৪ পরগণা এমনকি হুগলিতে তারা তাদের ব্যবসা চালাতো। বহনযোগ্য দ্রব্যাদি যেমন সোনা, রুপা, টাকা তাঁরা চুরি করতো। চুরিকৃত দ্রব্য হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত সেগুলো তারা বাড়িতে পুতে রাখতো। সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক। ভিজিট করুন