ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর থেকেই প্রকৃতি আর সাধারণ মানুষের লড়াই চলছে

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদ কয়রা। এর মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রাম এখন জোয়ারের চাপে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর থেকেই প্রকৃতি আর সাধারণ মানুষের লড়াই চলছিল। বাঁধ ভাঙছিল, মানুষ তা মেরামত করে টিকে থাকার লড়াই করছিল।
১৯৬০ এর দশকে দেয়া এই বাঁধ এখানকার বসতি টিকিয়ে রেখছে। যা চিংড়ি চাষের আগ্রাসী ফণায় ক্ষত-বিক্ষত হয়ে দুর্বলতর হয়েছিল।
২০০৯এর ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় আইলা তাতে শেষ পেরেক ঠোকে। বাঁধ ভাঙ্গে। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে বাঁধ দেয়াও হয়। কিন্তু দুর্বল বাঁধ আর সবল হয় না।
চিংড়ি চাষের জন্যে নোনা পানি টেনে আনতে বাঁধ কাঁটাছেড়াও থামে না। আবার এগারো বছর পর ২০২০এর ২০ মে আঘাত হানে আম্ফান।
প্রচন্ড শক্তির আম্ফানে তাৎক্ষণিক ক্ষতি তেমন না হলেও সুন্দরবন সংলগ্ন মানুষগুলো এখন তিলে তিলে ডুবছে। আজ এখানে বাঁধ ভাঙছে, কাল ওখানে বাঁধ ভাঙছে। ভাদ্র মাসের টানা বৃষ্টিতে জোয়ারের প্রবল তোড়ে কয়রা উপজেলার ২নং কয়রা, মঠবাড়িসহ নানান জায়গায়; শ্যামনগর উপজেলার গাবুরার লেবুবুনিয়াসহ একাধিক জায়গায় বাঁধ ভাঙছে।
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরসহ বিশাল এলাকা তিন মাস ধরে পানির তলায়। মানুষ ডুবছে। হায়! ছবিগুলো শুক্রবার (২১ আগস্ট ২০২০) বিকেল চারটার দিকে মঠবাড়ি এলাকার। স্থানীয়ভাবে কয়রা নামের পরিচিত নদীর (খোলপেটুয়া নদীর শাখা) এপাড়ে মঠবাড়ি, অপরপাড়েই সুন্দরবন। গৌরাঙ্গ নন্দী।

Leave a Reply

Your email address will not be published.