ডাক্তার

ডাক্তার শেখ আবু শাহীন

ফিচার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

 

ডাক্তার শেখ আবু শাহীন


ভালো থাকুন ডাক্তার শাহীন সাহেব। কেশবপুর হাসপাতারের কর্মকর্তা ডাক্তার শেখ আবু শাহীন কেশবপুর হাসপাতালে ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর যোগদান করেন। দীর্ঘ সাড়ে চার বছর কেশবপুর হাসপাতালে কর্মরত থাকার পর তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। শনিবার তিনি কেশবপুর হাসপাতাল থেকে বিদায় নিয়েছেন।
খুব কাছ থেকে দেখা ডাক্তার শাহীন সাহেবের চলে যাওয়ায় মনটা খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তাঁর মতো কর্মকর্তা চলে গেলে আসলেই খারাপ লাগার কথা। তিনি কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানের পর স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম ও চেষ্টা করেছেন। স্থানীয় এম পি ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের সহযোগিতায় সোলার প্যানেল স্থাপন, নিরাপত্তা রক্ষায় সাইকেল গ্যারেজ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ডিজিটাল সাইনবোর্ড, ডিজিটাল স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্নার, নিরাপদ খাবার পানির জন্য প্লান্ট স্থাপন, সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধিসহ রোগীবান্ধব পরিবেশ তৈরীতে অগ্রনী ভূমিকা রেখে তিনি হাসপাতালের চিরচেনা চিত্রই পাল্টে দিয়ে প্রমান করেছেন কর্মকর্তার ইচ্ছে থাকলেই চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন করা সম্ভব।
তাঁর নিরলস পরিশ্রমে উপজেলা পর্যায়ে সারা দেশের মধ্যে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২০১৭ ও ২০১৮ সালে পর পর দুই বার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় পুরষ্কার অর্জন করেছে। এ ছাড়া ২০১৭ সালে বেসিক ইওসি তে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয় কেশবপুর হাসপাতাল। এছাড়া ভায়া পরীক্ষাসহ বিভিন্ন কর্ণারের মাধ্যমে সেবা প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। কেশবপুর ৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে গড়ে প্রতিদিন ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকে। ভর্তি রোগীদের সেবা, সরকারী ঔষধ ও সঠিক মানের খাবার  সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন তিনি। বহির্বিভাগে গড়ে প্রতিদিন ৩৫০ জন রোগী স্বাস্থ্য সেবা ও পর্যাপ্ত ঔষধ পেয়েছেন তার আন্তরিক প্রচেষ্টায়।
তিনি চলে গেলেন। আবার নতুন কেউ আসবেন তাঁর চেয়ারে। হয়তো তিনি চিকিৎসা সেবায় আরও ভালো করবেন। তেমনটি আশা করি। পাশাপাশি ভয়ও করছে ডাক্তার শাহীন সাহেবের অর্জন যেন বিলীন না হয়ে যায়।
কবির হোসেন
০৮-০৬-১৯

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.