কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা

কেশবপুরে কামিল মাদ্রাসার চার শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

জাতীয় খবর শিক্ষা
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা

কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগের চার মেধাবী শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত তাদের নাম যদি বোর্ডের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না হয় তাহলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা দিতে ৪ বছর অপেক্ষা করতে হবে।

জানা গেছে, কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসায় ২০১৯ সালের একাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগে ৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। এরা হলো সেলিম আহমেদ মুন্না, শাহীন আলম সৌরভ, ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না ও আল আমিন সজিব। ২০২০-২১ শিক্ষা বর্ষের নিয়মিত ছাত্র হিসেবে তাদের ২০২১ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা। সে মোতাবেক তারা মাদ্রাসায় রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়। চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর তারা জানতে পারে মাদ্রাসা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার্থীর তালিকায় তাদের নাম নেই। তারা শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

আরও পড়ুন – আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিক্ষার্থীদের আমরা এক হাজার করে টাকা দেব: প্রধানমন্ত্রী

এদিকে তাদের পরবর্তী বছরের ভর্তির সময়সীমাও শেষ হয়ে গেছে। তাদের নাম যদি শেষ পর্যন্ত বোর্ডের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না হয় তাহলে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আগামী ৪ বছর অপেক্ষা করতে হবে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষেভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিভাবক আব্দুস সালাম, মশিয়ার রহমান জানান, তাদের ছেলে শাহীন আলম সৌরভ ও আল আমিন সজিবকে ওই মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি করা হয়। তারা নিয়মিত ক্লাস করার পরও বোর্ডের তালিকায় নাম না থাকায় মাদ্রাসায় গিয়ে যোগাযোগ করা হলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আগামী ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সময় নিয়েছিল। সে সময়ও অতিবাহিত হয়ে গেছে। এখন তারা বলেছেন, মাদ্রাসা বোর্ডের অনলাইন লক রয়েছে। লক না খুললে কিছুই বলা যাবে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, শিক্ষার্থীদের বোর্ডের কাজ অধ্যক্ষ মাদ্রাসার পিয়ন আব্দুল হাকিমকে দিয়ে করিয়ে থাকেন। কিন্তু সে ঋণগ্রস্থ হওয়ায় পাওনাদারদের ভয়ে সবসময় পালিয়ে থাকে। যে কারণে সে অফিস ফাঁকিসহ সময়মত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করাতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই ওই চার শিক্ষার্থীর নাম বোর্ডের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়নি।

কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল জলিল বলেন, বোর্ডের তালিকায় তাদের নাম না আসায় মাদ্রাসা বোর্ডে গিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। বোর্ডের অনলাইনের লক খুললে সব জানা যাবে। তারা পরীক্ষা দিতে পারবে বলে তিনি দাবি করেছেন।  ভিজিট করুন