পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছের ঘের করা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছের ঘের করা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছের ঘের করা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে মাছের ঘের নিয়ে চক্রান্তের অভিযোগে মঙ্গলবার দুপুরে কেশবপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মঙ্গলকোট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনোনয়ার হোসেনের ছেলে খালিদ হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি উল্লেখ করেন যে, তার মাছের ঘেরটি বানিয়ার কুড় বিলের মধ্যবর্তী স্থানে যার চার পাশে আরো ৫টি মাছের ঘের রয়েছে। বানিয়ার কুড় ঘেরটি দু পক্ষের নামে ডিড হওয়ার কারনে বিরোধ থাকায় স্থানীয় এমপি সাহেবের নির্দেশনায় সরেজমিন তদন্ত করেন কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, আরিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম ও কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠণিক সম্পাদক গৌতম রায়।

তদন্তের পর জমির মালিকদের মতামতের ভিত্তিতে খালিদ হোসেনকে তাদের মাছ অবমুক্ত করা বাবদ ৩০ হাজার টাকা দেয়ার নির্দেশ দেন এবং খালিদ হোসেনকে মাছের ঘের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। সে মোতাবেক মাছের ঘের পরিচালনা করে আসছি।

অপর দিকে পশ্চিম হাজরাতলার কুড় এর উপরি অংশে বসবাসরতরা গত বছর সকল জমির মালিকদের সন্মতিতে তিন বছর মেয়াদে ডিড করে দেয়। যার কারনে ওই সকল মাছের ঘের মালিকরা পানি নিষ্কাশনের পথ আটকিয়ে রাখে এবং অতিবৃষ্টিতে নদীতে পানি বৃদ্ধি পায় এ সময় ঘেরের পানি ছেড়ে দেয়ায় পানি নদীতে বা খালে না গিয়ে ঘেরের পানি ও নদীর পানি মিশে এলাকা প্লাবিত হয়।

আমি পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করিনি। প্রকৃত অর্থে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধের দায় হাজরাতলা কুড়ের উপরের চার মাছের ঘের মালিক আব্দুস সোবান গাজী, আব্দুল তালেব গাজী,কাদের গাজী ও যৌথ মালিকানাধীন ঘেরের উপরই বর্তায়।

অথচ তারাই সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মুলক সংবাদ পরিবেশন করে আমাকে ও আমার পরিবারের সুনাম নষ্টের চক্রান্তে লীপ্ত রয়েছে।

এ ধরনের মিথ্যাচার বন্ধের জন্য তিনি সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মামসুদুজ্জামান মাসুদ, রফিকুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আমির রেজাসহ জমির মালিকগণ। – কে এইচ খান।