পৌতৃক সম্পত্তি ফেরত চাওয়ায় ভাই হাতে মারপিটে আহত বোন

পৌতৃক সম্পত্তি ফেরত চাওয়ায় ভাই হাতে মারপিটে আহত বোন

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেশবপুর পৌর শহরের সাবদিয়া এলাকায় পৌতৃক সম্পত্তি ফেরৎ চাওয়ায় ভাইয়ের হাতে বোন আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এঘটনায় বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

জানা গেছে, পৌর শহরের সাবদিয়া এলাকার ইয়াসিন বিশ্বাস প্রায় ৩০ বছর পূবে মারা যান। তিনি সাড়ে ৭ বিঘা জমি এবং ১ স্ত্রী, ৪ মেয়ে ও ৪ ছেলে রেখে যান। পিতার মৃত্যুর পর ওই জমি স্ত্রী সহ সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়। বিয়ের পর স্বামির বাড়িতে থাকায় এক মেয়ে রহিমা খাতুন তার ভাগের জমি বড় ভাই মহিদুল বিশ্বাসকে দেখভালের দায়িত্ব দেন। ওই জমিতে ধান ও অন্যান্য ফসল উৎপাদন করে নিজেই ভোগদখল করে আসছে।

সম্প্রতি রহিমা খাতুন তার অপর ভাই ইব্রাহিম বিশ্বাসের বাড়িতে বসবাস শুরু করে। সে কারনে তার পৌতৃক সম্পতি বুঝে দিতে বড় ভাই মহিদুল বিশ্বাসকে অনুরোধ করে। কিন্তু সুচতুর বড় ভাই বোনের জমি আত্মসাৎ করার লক্ষে জমি বুঝে না দিয়ে বিভিন্নভাবে তালবাহানা করতে থাকে।

পৌতৃক সম্পত্তি ফেরত চাওয়ায় চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মহিদুল তার বোনকে ভয়ভিতী ও জীবন নাশের হুমকি দিতে থাকে। তাতেও কাজ না হওয়ায় সোমবার মহিদুল বিশ্বাসের নেতৃত্বে তবিবুর রহমান, আরাফাত হোসেন, আব্দুল মালেক, মাহমুদুল বিশ্বাস, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, লুৎফর রহমান বিশ্বাস, আব্দুল খালেক, রিজাউল মোড়লসহ একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রহিমা খতুনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করে।

এ হামলায় রহিমা খাতুন গুরুতর আহত হয়। আহতঅবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মেরুদন্ডের উপর ১৪ টি, কানের উপর ৪ টি ও কপালে ৫ টি সেলাই দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

ওই সময় হামলাকারীরা বোনকে আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে সাবদিয়া এলাকার ইব্রাহিম হোসেন বিশ্বাসের বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

এবিষয়ে রহিমা বেগম মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।-আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।