আমার পান্ডুলিপিও দেখতে উৎসাহী হলেন না

প্রকাশনা আমার পান্ডুলিপিও দেখতে উৎসাহী হলেন না

মতামত
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আমার পান্ডুলিপিও দেখতে উৎসাহী হলেন না

প্রকাশনা আমার পান্ডুলিপিও দেখতে উৎসাহী হলেন না

আমার পেশা সাংবাদিকতা। পাশাপাশি নানা বিষয়ে লেখার চেষ্টা করি। মূলত: মাঠ-গবেষণার ভিত্তিতে লেখালেখি শুরু। উপকূলীয় খুলনার পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে লেখা, আমাদের গৌরবজনক মুক্তিযুদ্ধের তথ্য নিয়ে লেখা, সমাজ-রাজনীতি নিয়েও নিবন্ধ লেখালেখি করি।

কয়েকটি গ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে। তবে সেগুলো খুব ভালো নামি-দামি প্রকাশনালয় থেকে যে বেরিয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। মফ:স্বল শহর -খুলনায় থাকি। পড়াশোনাা যা করতে পেরেছি, তাও খুলনায়, ফলে দৌড়তো বেশিদূর না; চেনা-জানা আর কতটুকই বা।

তবুও কেন জানি মনে হয়েছিল হাল আমলের একটি বড় প্রকাশনা থেকে আমার একটি বই বেরুক। যোগাযোগ করেছিলাম। কিন্তু তারা আমার পান্ডুলিপিও দেখতে উৎসাহী হলেন না। বিস্ময়কর হচ্ছে, আমার এক ছোট ভাই (কাজিন) ওই প্রতিষ্ঠানের এক কর্তা ব্যক্তির পরিচিত। কর্তা ব্যক্তিটি আমার ছোট ভাইটির বই প্রকাশ করতে চায়। কিন্তু তার কোন পান্ডুলিপি তৈরি নেই। ছোট ভাইটি আমার কাছে পান্ডুলিপি চায়, কিন্তু আমি তাকে বলি, আমার বই যারা করে, তেমন একজনকে আমি দিয়েছি।

বই প্রকাশ-ই বলি, আর যেকোন কাজই বলি, চেনা-জানা এবং লেখকের সামাজিক-আর্থিক অবস্থান যে একটি বড় শক্তি, তাতো জানি-বুঝি, তবুও কেন যেন খারাপ লাগে। বলুনতো, ওই প্রতিষ্ঠানে পান্ডুলিপি না দিয়ে আমি কি কোন অন্যায় করেছি??

ওহ্, এই সুযোগে বলে রাখি মুক্তিযুদ্ধের হত্যা-নির্যাতনের সত্যি ঘটনার আলোকে, গুরুদাসীকে (সদ্য মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত) কেন্দ্রীয় চরিত্রে রেখে আমার দ্বিতীয় উপন্যাস – ’কপোতাক্ষ পাড়ের কান্না’ আসছে ২০২১এ প্রকাশিত হবে।

আমার লেখা প্রথম উপন্যাস, সেটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক -১৯৬৯এর ২১ ফেব্রূয়ারিতে খুলনায় অন্যতম শহীদ হাদিসুর রহমানকে ঘিরে ‘উনসত্তরের রক্তবীজ’ বইটি যারা বের করেছিল, সেই বেহুলাবাংলা প্রকাশ করতে যাচ্ছে বইটি। – গৌরঙ্গ নন্দী, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক।  ভিজিট করুন

স্বনির্ভর করা গেলে কমে আসবে সীমান্ত হত্যা