প্রতিপক্ষ ফতেমা খাতুনের গোয়ালঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে

প্রতিপক্ষ ফতেমা খাতুনের গোয়ালঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতিপক্ষ ফতেমা খাতুনের গোয়ালঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে

কেশবপুরের হিজলতলা গ্রামে প্রতিপক্ষ ফতেমা খাতুনের গোয়ালঘর আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। পূর্বশুত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ সহিদুল ইসলাম গং তার গোয়াল ঘরে কেরোসিন দিয়ে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয় মর্মে বৃহস্পতিবার কেশবপুর থানায় তিনি অভিযোগ করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগে ফতেমা খাতুন উল্লেখ করেছেন, আমি কেশবপুরের হিজলতল গ্রামে আমার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে বসত ঘর বাড়ি করে বসবাস করে আসছি। বিবাদী সহিদুল ইসলাম (২৮), পিতা- মৃত কেরামত আলী সরদার, আঃ সাত্তার (৪০), পিতা- মৃত মেছের আলী সরদার, রফিকুল ইসলাম রফি (৫০), পিতা- মৃত আরশাদ আলী সরদার, নিলা খাতুন (৩৫), স্বামী-আঃ সাত্তার, শিউলি খাতুন (৩০), স্বামী- সহিদুল ইসলাম, সর্ব সাং- হিজলতলা, আমার পৈত্রিক অংশে প্রাপ্ত জমির মধ্যে বিবাদী ৪ কাঠা জমি পাইবে দাবী করে উক্ত জমি আমার নিকট বিক্রি করবে বলে ওয়াদা করে অনুমান ০৪ বছর পূর্বে জমির বায়না স্বরুপ আমার নিকট হতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে নগদ ৪,০০,০০০/- (চারলক্ষ) টাকা গ্রহন করে।

কিন্তু বিবাদী আমার নিকট হতে টাকা নিয়ে আমার ভিটাবাড়ির স্থলের জমি লিখে না দিয়ে নানান তাল বাহানা করছে। তারা আমাকেসহ আমার পরিবারের সদস্যদের মারপিট ও ক্ষয় ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছে। এমতাবস্থায় উক্ত বিবাদীরা জোটবদ্ধ হয়ে ১৬/১১/২০২০ তারিখ সকাল অনুমান ০৭:০০ ঘটিকার সময় আমার বসত বাড়িতে এসে বসত ঘরের সামনে উঠানের মাটি কেটে গর্ত করে ও গোয়াল ঘরের পাশের মাটি কেটে গোয়াল ঘর ভেঙ্গে দেয় এবং আমার ঘরের দুই পাশে ঘেরাবেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়।

এক পর্যায়ে ১৮/১১/২০২০ তারিখ রাত অনুমান ০৩:০০ ঘটিকার সময় উক্ত বিবাদীরাসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন আমার বসত বাড়িতে অনধিকারভাবে প্রবেশ করে আমার গোয়াল ঘরে কেরোসিন তৈল ঢেলে আগুন দিয়ে গোয়াল ঘরের টিনের ছাউনী রোয়া, বাঁশ, টিন ও জ্বালানী কাঠ পুড়ায়ে দিয়ে অনুমান ৬০,০০০/- টাকার মত ক্ষয় ক্ষতি করে।

এ সময় আমি ও আমার স্বামী টের পেয়ে ঘর হতে বাইরে এসে আমাদের হাতে থাকা টচ্রের আলোয় উক্ত লোকদের চিনতে পেরে চিৎকার করলে আশ পাশ হতে লোকজন এগিয়ে এসে ঘটনা দেখে ও গোয়াল ঘরের আগুন নিভিয়ে দেয়।

সহিদুল ইসলামের বক্তব্য, ফতেমা আমার নিজের বোন। প্রথমে তাকে বসত ঘরের জায়গায় তার পাওনা জমি দিয়ে চাওয়া হয়। পরে সে প্রতি দাগে দাগে তার অংশ নিয়েছে। ফলে বসত ঘরের জায়গার পরিমান কমে গেছে।

কেশবপুর থানার তদন্তকারী দারোগা তাপস জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি তাদের মধে জমি নিয়ে বিরোধে দীর্ঘদিন মামলা পাল্টা মামলা চলছে। সহিদুল ঘরে আগুন দিয়েছে তেমন প্রমান পাওয়া যায়নি।