প্রায় প্রচার ছাড়াই ইভিএমে ভোট দেয়ার প্রশিক্ষণে

প্রায় প্রচার ছাড়াই ইভিএমে ভোট দেয়ার প্রশিক্ষণে সাড়া মেলেনি ভোটারের

জাতীয় খবর দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেশবপুর পৌরসভায় এবার ইভিএমে ভোট গ্রহন করা হবে। আগামী রবিবার নির্বাচন। প্রায় প্রচার ছাড়াই ইভিএমে ভোট দেয়ার প্রশিক্ষণের জন্য শুক্রবার উপজেলা নির্বাচন অফিস পৌরসভার দশটি কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুশীলন ভোটের (মক ভোট) আয়োজন করে। কিন্তু ভোটারটা না জানার কারনে গড়ে মাত্র শতকরা এক ভাগ ভোটার এতে অংশ করেছেন।

অনেকের ধারনা দুর্বল প্রচারের জন্য ভোটারদের সাড়া কম মিলেছে। তবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গড়ে ২০ ভাগ ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এ ব্যাপারে তারা জানেনই না। কেউ কেউ বলেছেন, অস্ত্র ব্যবহার এবং ভোট কেন্দ্রের ২শ’ গজের মাইকিং শুনলেও ভোট শেখানোর মাইকিং তারা শুনেননি।

শুক্রবার সকালে পৌরসভার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ইভিএমে ভোট নেয়ার জন্য সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা বসে রয়েছেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদসংলগ্ন কেশবপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিন হাজার ১একশ’ ৮৫ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ৩২ জন, কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দু’হাজার তিনশ’ ছয়জনের মধ্যে ২৩ জন, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে দু’হাজার দুশ’ ৯৫ জনের মধ্যে ২৪ জন, আলতাপোল মিফতাহুল উলুম কওমী মাদ্রাসা কেন্দ্রে এক হাজার দুশ’ ৮৪ জনের মধ্যে মাত্র ১০ জন ভোটার মক ভোটিংয়ে অংশ নিয়েছেন।

কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক  বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে মক ভোটিংয়ে অংশ নেয়া মঈন গাজী (৫৫) জানান, আঙুলের ছাপ মিলাতে যেয়ে মেশিনে ভোট দিতে বেশ সময় লাগছে। সাবদিয়া স্বতন্দ্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা কেন্দ্রে তিন হাজার ৯৯ জন ভোটারের মধ্যে মক ভোটিংয়ে অংশ নিয়েছে মাত্র ২৮ জন। তাদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন, হাফিজুর রহমানসহ কয়েকজন জানান, পদ্ধতি জানা থাকলে ইভিএমে ভোটদান খুবই সহজ।

তবে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ বলেন, গড় ২০ ভাগ ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিলেন। তারা সকলে মক ভোটিংয়ে অংশ না নিলেও অন্যের ভোট দেয়া দাঁড়িয়ে দেখেছেন। মক ভোটিংয়ে অংশ নেয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে পৌর এলাকায় মাইকে প্রচারণা চালানো হয়েছে। এছাড়া এ বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদেরও পত্র দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে নির্বাচন অফিসের আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না।