বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিকরা যেন ফেরত না আসে: প্রধানমন্ত্রী

বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিকরা যেন ফেরত না আসে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় খবর গ্যালারী
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিকরা যেন ফেরত না আসে: প্রধানমন্ত্রী

 

করোনা মহামারির মধ্যে বিদেশ থেকে শ্রমিকরা যেন বাধ্য হয়ে দেশে ফিরে না আসতে হয়- সেই বিষয়ে শক্তিশালী ও সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে তিন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে এ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সচিবালয় প্রান্তে মন্ত্রিপরিষদ সভায় বক্তব্য রাখেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। বৈঠকে কোভিড-১৯ মহামারিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়।

 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মন্ত্রিসভা নির্দেশনা দিয়েছে যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কীভাবে আরও বৈদেশিক আয় বাড়ানো যায়; বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিকরা যেন ফেরত না আসে- সে বিষয়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে সচেষ্ট থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম যেমন- বাংলাদেশ থেকে ৬৫ লাখ পিপিই যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করা হয়েছে। কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন রকমের ওষুধের উপকরণ আমদানি ও বিদেশি রফতানি, বৈধ ও অবৈধ বাংলাদেশি প্রবাসীদের খাদ্য ও সেবা নিশ্চিত, চাকরি থেকে বরখাস্তকৃতদের দেনা-পাওনা এবং সম্ভব হলে ৬ মাসের বেতন-ভাতা প্রদানপূর্বক দেশে পাঠানোর প্রচেষ্টা, প্রবাসী শ্রমিকদের বিদেশে কর্মসংস্থান এবং ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য ওইসব দেশের ফান্ড গঠনের জন্য যোগাযোগে সাড়া পাওয়া গেছে। এতে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে এবং আমাদের যারা বিদেশে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তারা আবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কাজে ফিরতে পেরেছেন।’

 

তিনি বলেন, ‘পোশাক শিল্পের ক্রয়াদেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন তার পরিপ্রেক্ষিতে সুইডেন রিভাইজ করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে বাতিলকৃত ক্রয়াদেশ অধিকাংশই ফেরত আসে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বিদেশি কূটনৈতিকদের জন্য একটা বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। যাতে তারা কোভিড আক্রান্ত হলে প্রোপার ট্রিটমেন্ট দেয়া যায়। করোনা ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্ভাব্য টিকা আবিষ্কারকদের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রথম থেকেই যোগাযোগ রাখছে। যার ফলে ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে যে সম্ভবানা আসছে তার পেছনে তাদের এ প্রচেষ্টা বড় ভূমিকা রেখেছে।’- জাগোনিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x