মাইকেল মধুসূদন দত্তর তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নের সংরক্ষণ হয়নি কলকাতায়

মাইকেল মধুসূদন দত্তর তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নের সংরক্ষণ হয়নি কলকাতায়

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক।।  বাংলা কবিতার প্রথম বিদ্রোহী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তর তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নের সংরক্ষণ হয়নি কলকাতায়। মল্লিকবাজারের সমাধিক্ষেত্রে আছে শুধু তাঁর সমাধি। সমাধিক্ষেত্রের বাইরে যে ফলক-স্তম্ভটিতে লেখা আছে ‘দাড়াও পথিকবর..তিষ্ঠ ক্ষণকাল’ কবিতাটি।
খিদিরপুর পুলের নিচ থেকে মেটিয়াবুরুজের দিকে এগোতে সার্কুলার গার্ডেন রিচ রোডের ওপর(বর্তমান কার্ল মাকর্স সরণি) ডান দিকে একটা রঙচটা, ইটবোরোনো, হলদেটে বাড়ি। বাড়ির ওপর দিকটা দেখাই যায় না বলতে গেলে, কেননা সবসময়েই সেখানে ঝোলে ধোপাদের কাচা কাপড়-জামা।
কলকাতায় যে দু-টি বাড়িতে মধুসূদন ছিলেন-এটি তার একটি। হরিসাধন মুখোপাধ্যায়ের ‘কলকাতা সেকালের ও একালের’ বই থেকে জানা যায়, রায় বাহাদুর মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দখলে বাড়িটি। এখন এই বাড়িতে আছে খিদিরিপুর প্রেস আর তিনঘর ভাড়াটে।
খিদিরপুর প্রেসের মালিক বিজয়কৃষ্ণ দে মাইকেল সম্পর্কে আগ্রহী নন। তাচ্ছিল্যের সুরে বললেন, শুনেছি এক সময় মাইকেল ছিলেন। ভাড়াটেদের অবস্থাও তথৈবচ। তবে বাড়িটির মালিকানা বদল হয়েছে। এখন বাড়ির মালিক জনৈক সুধীরকুমার নন্দন। বিজয়বাবুই জানিয়েছেন এ-কথা।
আর একটি যে-বাড়ির কথা বলছি, সেটি আবিষ্কারের কৃতিত্ব রাধারমণ মিত্রর। বাড়ির ঠিকানা ২২ বেনেপুকুর রোড। উত্তরপাড়া থেকে ফিরে স্ত্রী হেনরিয়েটা, কন্যা শর্মিষ্ঠা ও শিশুপুত্রকে নিয়ে এখানে ভাড়াটে হয়ে ছিলেন মধুসূদন। এ-বাড়িতেই বিয়ে হয়েছিল শর্মিষ্ঠার। সেই বিয়ের একটি থেকেই বাড়িটির খোঁজ পেয়েছিলেন রাধারমণবাবু। মৃত্যুর আগে এই বাড়ি থেকেই অসুস্থ হয়ে মাইকেল হাসপাতালে গিয়েছিলেন। ভিজিট করুন

1 thought on “মাইকেল মধুসূদন দত্তর তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নের সংরক্ষণ হয়নি কলকাতায়

Comments are closed.