মাছ চাষ করায় কাঁচা রাস্তা ভাঙ্গনের অভিযোগ

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আজিজুর রহমান।।

কেশবপুরে পুকুরে মাছ চাষ করায় একটি সরকারি কাঁচা রাস্তায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ যার ফলে ৩ ইউনিয়নের ১৫/২০টি গ্রামের মানুষ চরম ভুগান্তিতে পড়েছে ৷ রাস্তা ভাঙ্গনের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে৷

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে উপজেলার চালিতা বাড়িয়া গ্রামের মৃত জব্বারের শেখের ছেলে কামরুজ্জামান কালাম শেখ, শ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল খালেক ও এজহার আলী মোড়ল তিনজন মিলে দীর্ঘদিন ধরে মজিদপুর ইউনিয়ন, সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন ও কেশবপুর সদর ইউনিয়নের সংলগ্ন চালিতা বাড়িয়া ও শ্রীরামপুর গ্রামের একটি কাঁচা রাস্তার পাশে পুকুরে মাছ চাষ করে আসছে৷

চালিতা বাড়িয়া গ্রামের শম্ভ পাল, মনিরুল ইসলাম, করিম, মশিায়র রহমান, শ্রীরামপুর গ্রামের করিমন চালক আবুল হোসেন, অটো চালক শাহীন, আতিয়ার রহমান, মতিয়ার রহমান, রফিকুল ইসলাম, সাতবাড়িয়া গ্রামের রহিম, শফিকুল ইসলাম, ভালুকঘর গ্রামের এনামুল, খালেক, দোরমুটিয়া গ্রামের বাবু, আক্তার হোসেনসহ অনেকেই জানান, ৩ ইউনিয়নের চালিতাবাড়িয়া, দত্তনগর, সাতবাড়িয়া, ভালুকঘর, শ্রীরামপুর বাসয়া, শিকারপুর, হিজেলতলা, পাত্রপাড়া, মুলগ্রাম, দোরমুটিয়া গ্রাম ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন৷ কৃষকরা তাদের ধান, পাট, কাঁচামালসহ বিভিন্ন প্রকারের মালামাল বাজারে নিয়ে যেতে হয় এ রাস্তা দিয়ে৷ শিক্ষার্থীদের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় যেতে হয় রাস্তা দিয়ে৷

এলাকাবাসীর অভিযোগ বর্ষার সময় কাঁচা রাস্তা দিয়ে চলাচল না করতে পেরে চরম ভুগান্তিতে পড়ে মানুষ৷ রাস্তাটি ভাঙ্গনের কারণে একেবারে ছোট রাস্তায় পরিনত হয়েছে৷ ইতোপূর্েব রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অনেকেই পুকুরে পড়ে আহত হয়েছেন৷ এভাবে আর কিছু দিন থাকলে রাস্তা ভেঙ্গে একেবারে পুকুরের মধ্যে বিলিহিন হয়ে পড়বে৷ তাছাড়া আলমসাধু, করিমন, নছিমন, ইঞ্জিভ্যান, অটো বাইক চালকসহ বিভিন্ন চালকদের রাস্তায় কাঁদা থাকার ফলে বিপদে পড়তে হয়৷ পুকুরে মাছ চাষ বন্ধ না করার হলে চরম ভুগান্তিতে পড়তে হবে ৩ ইউনিয়নের মানুষের৷

মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক ও এজহার আলী মোড়লের বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার চেষ্টা করার হলেও তাদের পাওয়ায় যায়নি৷ রাস্তা ভাঙ্গনের ব্যাপারে কামরুজ্জামান কালাম শেখ রাস্তা ভাঙ্গনের কথা স্বীকার করে বলেন, গত বছর আমি ৪০ হাজার টাকা খরচ করে রাস্তাটি মেরামত করেছিলাম৷ বর্ষা মৌসুমী পার হয়ে গেলে আবারো রাস্তাটি মেরামত করবো৷ এ ব্যাপারে উপজেলা মত্স্য অফিসার আব্দুল বারী বলেন, রাস্তা ভাঙ্গনের ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি৷ যদি কেউ অভিযোগ করে তাহলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published.