মেয়র পদে মোস্তফা, মিলন ও রফিকের দলীয় মনোনয়ন জমা

মেয়র পদে আ’লীগের মোস্তফা, মিলন ও রফিকের মনোনয়ন জমা

জাতীয় খবর দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মেয়র পদে মোস্তফা, মিলন ও রফিকের দলীয় মনোনয়ন জমা

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে তিন মেয়র প্রার্থী

আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, কেশবপুর ॥ আসন্ন কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন গাজী গোলাম মোস্তফা, এ্যাডভোকেট মিলন মিত্র ও রফিকুল ইসলাম মোড়ল।

মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে থেকে পৃথকভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তারা । এর আগে রফিকুল ইসলাম মোড়ল, এ্যাডভোকেট মিলন মিত্র ও গাজী গোলাম মোস্তফা মনোনয়ন ক্রয় করেন।

তিন আওয়ামীলীগ নেতা মনোনয়ন জমা দেয়ায় কে হচ্ছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেটা নিয়ে কেশবপুর শহরে চুলচেরা বিশ্লেষন শুরু হয়েছে। পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ জনসমাগত এলাকার প্রচার প্রচারনা করছেন তিন নেতার সমর্থিত নেতা কর্মীরা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা দীর্ঘপ্রায় ৩৫ বছর দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। ১৯৮৫ সালে তিনি কেশবপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮৬ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৮ সালে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন।

৯০’ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম এই নেতা ১৯৯৬ সালে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২০০২ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে অধ্যবধি দায়িত্ব পালন করছেন।

এবারই প্রথম তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ায় আশায় মনোনয়ন ক্রয় করে জমা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা যাচাই ও সাধারন ভোটারদের কাছে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে যোগ্য প্রার্থীকে দলের মনোনয়ন দিবেন বলে তিনি আশাবাদী।

অপর মেয়র পদের প্রার্থী আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট মিলন মিত্র দীর্ঘদিন কেশবপুর পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ডের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

তার পিতা সুবোধ মিত্র ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক এম এন এ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর ছিলেন। এর আগেও এ্যাডভোকেট মিলন মিত্র দুইবার কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী ছিলেন।

এছাড়া বর্তমান মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল সম্প্রতি ঘোষিত পৌর আওয়ামীলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। কেশবপুর পৌরসভার ইতিহাসে তিনিই প্রথম আওয়ামীলীগের মনোনীত হয়ে বিপুল ভোটে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। বিএনপি’র বার বার নির্বাচিত মেয়র আব্দুস সামাদকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। তিনি পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এবং উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আবারো আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশ করে দলীয় মনোনয়ন ফরম ক্রয় করে জমা দিয়েছেন।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালে এ পৌরসভাটির যাত্রা শুরু হয় । ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভার আয়তন ১১ দশমিক ৮৭ বর্গকিলোমিটার। মোট ভোটার ২০ হাজার ৭শ’২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ১শ’৮৫ জন এবং নারী ভোটার ১০ হাজার ৫শ’৪০ জন।

প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা কেশবপুর। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সর্বশেষ এই পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ১৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পঞ্চম ধাপের ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি কেশবপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নিউজবাংলা

কেশবপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এ্যাডভোকেট মিলন মিত্রের গনসংযোগ

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিল পদে সৈয়দ আকমল আলীর গণসংযোগ

উন্নয়নে বদলে গেছে কেশবপুর শহরের চিত্র, বেড়েছে নাগরিক সুবিধা