ভ্যাকসিন নিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন

মোদির পর ভ্যাকসিন নিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন

আন্তর্জাতিক করোন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ভ্যাকসিন নিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর এবার ভ্যাকসিন নিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন (Harsh Vardhan)। এদিন করোনার প্রতিষেধক নিয়েছেন মন্ত্রীর স্ত্রীও। দিল্লি হার্ট অ্যান্ড লাং ইনস্টিটিউটে টিকা নেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, সোমবার সকালে করোনার টিকা নেন মোদী। সন্ধ্যায় টিকা নেন অমিত শাহ। মেদান্ত হাসপাতালে করোনা টিকার প্রথম ডোজটি নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও গ্রহণ করেছেন ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাকসিনই। টিকা গ্রহণের পর ভালো রয়েছেন তিনি, জানা গেছে এমনটাই।

টিকা নেওয়ার পর একটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতকে করোনা মুক্ত করতে দেশবাসীকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ‘ কোভিড-১৯ -এর সঙ্গে বিশ্ববাসীর লড়াইয়ে ভারতের বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসকদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ পাশাপাশি সকলকে টিকা নেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি।

মোদী-শাহের পাশাপাশি টিকা নিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরও। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, ‘টিকা গ্রহণ করলাম। অনেক সুরক্ষিত মনে করছি নিজেকে।’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের পাশাপাশি টিকা নিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। টিকা নিয়ে নীতীশ ঘোষণা করেন, বিহারে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন মিলবে।

প্রসঙ্গত, ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ। ১০ হাজার সরকারি এবং ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতালের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে করোনার টিকা। সরকারি ক্ষেত্রে টিকা বিনামূল্যে প্রদান করা হলেও বেসরকারি ক্ষেত্র থেকে টিকা নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়, অনুমোদনপ্রাপ্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে টিকার একটি ডোজের জন্য খরচ করতে হবে ২৫০ টাকা। তবে সরকারি হাসপাতালগুলিতে বিনামূল্যেই পাওয়া যাবে করোনার টিকা। টিকাকরণের প্রথম ধাপে টিকা পেয়েছিলেন প্রথম সারির করোনা যোদ্ধারা। এখনও পর্যন্ত ১.৪৩ কোটি দেশবাসীকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সূত্র-এই সময়।