যা কিছু করে যাচ্ছি; সবকিছু শিশুদের কথা চিন্তা করেই : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘শিশুর জন্যই সবকিছু। যা কিছু করে যাচ্ছি; সবকিছু শিশুদের কথা চিন্তা করেই। আমরা উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি। কিন্তু এখানে থেমে থাকলে হবে না। আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ প্রতিষ্ঠা করা। তার জন্য সব পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা একদিন থাকবো না। আমাদের পর অন্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। ভবিষ্যতে যারা আসবেন, তারা যেন আমাদের রেখে যাওয়া নীতিগুলো নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে সেভাবে সব প্রস্তুত করছি।’’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের শিশুরা যেন আগামীতে দেশের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে। শিশুরা যেন সামনে নিজেরা নিজেদের সকল যোগ্যতা দিয়ে এগিয়ে যেতে ও দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। আমি চাই আমাদের শিশুরা পড়ালেখা করে ভবিষ্যত উজ্জ্বল করুক ও দেশের জন্য প্রস্তুত হোক।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আয়োজিত শিশু সমাবেশে শিশু বক্তারা বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমরা আপনাকে মিস করছি।’

অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তাদের কথার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘তোমরা ভালো আছো? তোমরা ঠিকমতো পড়াশোনা করো। আমি ও আমার ছোটবোন শেখ রেহানা টুঙ্গিপাড়াতেই থাকি। আজ আমি তোমাদের সঙ্গে নেই, কিন্তু আমার মন পড়ে আছে টুঙ্গিপাড়ায়।’

প্রধানমন্ত্রী কবি সুকান্তের কবিতা থেকে পাঠ করে তার বক্তব্য শেষ করেন।

কবির ভাষায় তিনি বলেন, ‘চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের শিশু দিবসের মূল প্রতিপাদ্য— বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর জীবন করো রঙিন। আমরা শিশুর জীবন রঙিন করতে চাই। তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও মানসিক বিকাশে নানা আয়োজন করছি। প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম করে দিচ্ছি।’

তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, ‘সব সময় যদি বলে পড় আর পড়, কারো ভালো লাগে? তোমাদের ভালো লাগবে? এজন্য শিশু বঙ্গবন্ধু খেলাধুলা করেছেন। এ দেশের প্রতিটি শিশুর খেলাধুলাসহ নানা আয়োজনে মানসিক বিকাশের ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী ফলিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, সচিবসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরপর শিশুদের অংশগ্রহণে বঙ্গবন্ধুর জীবনালেখ্য নিয়ে বিশেষ সাংস্কৃতির উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়। সূত্র-জাগো নিউজ ও চ্যানেল আই।