রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হবে শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতির পিতার জ্যেষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী ৫ আগস্ট এখন থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে।

শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দিবসটি ‘ক’ শ্রেণীভূক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠায়। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

ক্রীড়াবিদ, বন্ধুবৎসল, সমাজকর্মী, শিল্প -সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়ানুরাগী শেখ কামাল অদম্য যুবশক্তির প্রতীক। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে তিনি রেখে গেছেন তাৎপর্যপূর্ণ অবদান। তাই শহীদ শেখ কামালকে স্মরনীয় করে রাখতে উদ্যোগ গ্রহণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। তাঁর আন্তরিকতায় শহীদ শেখ কামালের ৭০তম জন্মবার্ষিকী এ বছর সরকারিভাবে পালন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। দিবসটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পাঠানো হয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীরই উদ্যোগে। এই ধারাবাহিকতায় শহীদ শেখ কামালে জন্মবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের অনুমোদন মিলল আজ।

বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামালের জন্ম ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। শৈশব থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় উৎসাহী শেখ কামাল স্বাধীনতার পর আবির্ভূত হন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম ক্রীড়া সংগঠন ও আধুনিক ফুটবলের অগ্রদূত আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা।

বহুমুখী প্রতিভার প্রাণোচ্ছল খোলামনের মানুষ ছিলেন শেখ কামাল। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ছাত্ররাজনীতি, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলার মাঠ থেকে নাটকের মঞ্চ- সর্বত্র ছিল তাঁর দীপ্ত উপস্থিতি। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে এই প্রতিভাবান তরুণ শহীদ হন। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তীতে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে ঘৃণিত অপপ্রচারের শিকার শেখ কামাল। অথচ যার কোন বাস্তব ভিত্তি ছিলনা এবং অদ্যবধি কেউ তা প্রমাণ করতে পারেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.