শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?

শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?

সাহিত্য কলাম ও ফিচার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?
সাজেদ রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক।। মৃত্যুরে কে মনে রাখে?…কীর্তিনাশা খুঁড়ে খুঁড়ে চলে বারো মাস/ নতুন ডাঙ্গার দিকে-পিছনের অবিরণ মৃত চর বিনা/ দিন তার কেটে যায়-শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?
রুপসী বাংলায় জীবনান্দ দাশ এভাবে আত্নবিনাশের যে প্রছন্ন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সেটাই কি তাঁর জীবনে সত্য হয়েছিল ১৯৫৪ সালের অক্টোবরে? এ প্রশ্নের মীমাংসা হয়ত কখনই হবে না। শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?
ট্রামে চাপা পড়ে তিনি আত্নঘাতী হয়েছিলেন, না ওটি ছিল নিছক দুর্ঘটনা। জীবনান্দ দাশের মৃত্যুর প্রকৃতি নিয়ে বির্তক থাকলেও ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট মেহিংওয়ের আত্নহত্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই।
তেমনি ভাবে কবি মায়কোভস্কি, পলসেলান, জেমস রিণ, মিশিয়া-এঁদের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিরাও জীবন থেকে ছুটি নিয়েছিলেন স্বইচ্ছায়। অথচ জীবনের জন্যই পৃথিবীর সমস্ত আয়োজন।
সেই জীবনকে এক ফুৎকারে নিভিয়ে দেয়ার মধ্যে কোন অর্থ থাকতে পারে না। এই বিশ্বে প্রতিটি মানুষই ভালবাসে নিজেকে, তার অর্থই জীবনকে ভালবাসা এবং পৃথিবীকেও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুন্দর ভুবনে মানবের মধ্যে বেঁচে থাকতে চেয়েছেন বলেই উচ্চারণ করেছিলেন-‘ ভাল বাসিয়াছি এই জগতের আলো/ জীবনেরে তাই বাসি ভাল।’
কিন্তু এরপরও মানুষ আত্নঘাতী হয়। জীবনের খ্যাতি মধ্যগগণে থাকা ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে এক অজ পাড়াগাাঁর গৃহবধূ পর্যন্ত। আমি বিশ্বাস করিনা আমার প্রিয় কবি জীবনান্দ আত্নঘাতী হয়েছেন। আমি তাঁর আত্নার শান্তি কামনা করি। ভিজিট করুন

1 thought on “শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?

Comments are closed.