সাবেক মেম্বারের নের্তৃত্বে ভ্যানচালকের বসতবাড়ি ভাঙচুরসহ দখলের অভিযোগ

সাবেক মেম্বারের নের্তৃত্বে ভ্যানচালকের বসতবাড়ি ভাঙচুরসহ দখলের অভিযোগ

জাতীয় খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সাবেক মেম্বারের নের্তৃত্বে ভ্যানচালকের বসতবাড়ি ভাঙচুরসহ দখলের অভিযোগ

কেশবপুরের সাতবাড়িয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলীর নের্তৃত্বে ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে এক ভ্যান চালকের বসতবাড়ি ভাঙচুরসহ জবর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার সকালে এ ঘটনার সময় ভ্যান চালক জিয়াউর রহমান বাদি হয়ে সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলীসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দাখিল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল করিম গাইনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মৃত এরশাদ আলী গাইনের ছেলে আব্দুল আজিজের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এরই জের ধরে শুক্রবার বেলা ১১ টায় আব্দুল আজিজ গাইনের ভাড়াটে হয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিচয়ে ওই জমি দখল করতে যায় সাতবাড়িয়া গ্রামের সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলীর নের্তুত্বে ৫/৬ জন যুবক।

এসময় বসতবাড়ির মালিক দিনমজুর মজিবার রহমান ও তার ভাই জিয়াউর রহমান ও তাদের জামাই বিল্লাল হোসেন বাধা দিলে তাদেরকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এক পর্যায়ে তারা জামাই বিল্লাল হোসেনকে এলোপাতাড়িভাবে কিল, ঘুষি মেরে আহত করে। পরে ৫/৬ জন যুবক ঘন্টা ব্যাপী ওই ঘরের বেড়া, টিন ও টালির চাল ভাঙচুরসহ যাবতীয় আসবাবপত্র, মালামাল বের করে বসতঘরটি দখল করে নেয়া হয়। এ ঘটনায় আব্দুল করিম গাইনের ছেলে জিয়াউর রহমান ৪০ হাজা টাকার মালামাল ক্ষতির অভিযোগ এনে সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলী, আব্দুল আজিজ, সেলিম হোসেন, রবিউল ইসলামের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছেন। ভিজিট করুন

এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আলী বলেন, আদালত আব্দুল আজিজের পক্ষে রায় দিয়েছে। এজন্যে ক্ষমতাসীন দলের ঊধ্বর্তন এক নেতার নির্দেশে আব্দুল আজিজের জমির দখল বুঝে দেয়া হয়েছে।

সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা সামসুদ্দীন দফাদার বলেন, আব্দুল আজিজ আদালত থেকে একতরফা একটি রায় পেয়েছে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আব্দুল করিম গাইনের আপিল মামলা চলমান রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোপূর্বে ৫ বার সালিস করা হয়েছে। সর্বশেষ আব্দুল আজিজকে ৮ শতক জমি নিয়ে নিরসন করে নিতে বলেছিলাম। কিন্তু সে মানেনি। ঘর জবর দখলের বিষয়ে তিনি বলেন, মোহাম্মদ আলী আমার দলের কেউ নয়। ঘর ভাঙচুর করে থাকলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

কেশবপুর থানার দারগা লেখক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আনা হয়। যে সমস্ত জিনিসপত্র ঘর থেকে বের করা হয়েছিল তা বসতবাড়ির মালিক মজিবার রহমানের ঘরে তুলে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভিজিট করুন

বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন