স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

দেশের খবর
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্ত্রীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুর প্রতিনিধি ॥ কেশবপুরে একের পর নির্যাতনের শিকার এক স্বামী তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে রোববার কেশবপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি জানান, ১৯৯৫ সালে কেশবপুরের মাদার মোড়লের ছেলে সোহেল হাসান আইদের সাথে উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের ছুরমান মোল্লার মেয়ে জামিলা পাপরভিনের বিয়ে হয়। সংসারের প্রয়োজনে ওই বছরই সোহেল হাসান আইদ মালায়েশিয়ায় পাড়ি জমায়। বিদেশ থেকে তিনি তার স্ত্রী জামিলা খাতুনের কাছে বিদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা পাঠায়। স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে তার স্ত্রী জামিলা পারভিন বেসরকারি এনজিও সাস এ চাকুরী নেয়।

এ চাকরীর সুবাদে তার ওই সংস্থার মাঠকর্মী রিপণ নামের এক ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সংবাদ শুনে ৪ বছর পর তিনি বিদেশ থেকে বাড়ি এসে তার স্ত্রী জামিলা খাতুনের কাছে পাওনা সাড়ে ৪ লাখ টাকা ফেরত চায়। এনিয়ে সংসারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। এক পর্যায়ে জামিলা খাতুন অবৈধ সম্পর্ক জের ধরে নগদ ২ লাখ ৩ হাজার টাকাসহ তার ববহৃত অলঙ্কার নিয়ে রিপণের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়।

এ ঘটনায় গত ২৯/৯/২০১০ তারিখে তিনি কেশবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। যার নং- ৩৯৩। অত:পর ২৭/১০/২০১০ সালে জামিলা খাতুন তার স্বামী সোহেল হাসান আইদকে তালাক দেয়। এরপর ৩০/১/১১ সালে তার সব অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তিনি জামিলা খাতুনকে পুনরায় বিয়ে করে নেন। কিন্তু বিয়ের পরও গোপণে জামিলা খাতুন রিপণের সাথে অবৈধ সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকে।

এদিকে, আমি একজন ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাদে সুবির কুন্ডু নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১৩ লাখ টাকা পেতে যায়। দীর্ঘদিনেও সুবির কুন্ডু টাকা ফেরৎ দিতে না পারায় সে আমাকে ১৩ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। এ সময় চেকে পর্যপ্ত টাকা না থাকায় আমি তার বিরুদ্ধে এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করি। এতে সুবিরের সাথে আমার সম্পর্কের অবনতি ঘটায় আমার স্ত্রী সুবিরের সাথে যোগসাজসে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাইরে থেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে আমার ওপর হামলা করে।

যে কারণে আমি জামলিাকে আবারও তালাক প্রদান করি। এতেও হয়রানি বন্ধ না হওয়ায় আমি জামিলাসহ কেশবপুরের সাহাপাড়ার সুবির কুন্ডু, মধ্যকুলের আব্দুল গনি শেখের ছেলে জামাল শেখ, উপজেলা পাড়ার জাহাঙ্গীরের ছেলে সৌরভকে আসামী করে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে একটি মামলা করি। যার নং- ১০২/২১। এরপরও জামিলা পারভিন বিভিন্ন দপ্তরে একের পর এক অভিযোগ দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। আমি তালাক দেয়া স্ত্রী হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।