১১ চিকিৎসকের পদ শূণ্য কেশবপুর হাসপাতালে সেবা পেতে ভোগান্তি

১১ চিকিৎসকের পদ শূণ্য থাকায় কেশবপুর হাসপাতালে সেবা পেতে ভোগান্তি

জাতীয় খবর স্বাস্থ্য
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

১১ চিকিৎসকের পদ শূণ্য কেশবপুর হাসপাতালে সেবা পেতে ভোগান্তি

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন কনসালটেন্ট চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দিন দিন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অথচ মিলছে না প্রয়োজনীয় সেবা।

কেশবপুর যশোর জেলা সদরের ৩৩ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এছাড়াও কেশবপুর উপজেলা শহরের উত্তর পাশে মণিরামপুর উপজেলা, পশ্চিম পাশে কলারোয় উপজেলা, দক্ষিণপাশে তালা থানা ও পাটকেলঘাটা উপজেলা এবং পূর্ব পাশে ডুমুরিয়া উপজেলা। এসব উপজেলার সীমান্ত এলাকার রোগিরা চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য কেশবপুর হাসপাতালে আসেন।  সে কারণে কেশবপুর হাসপাতালে রোগীদের ভিড় সার্বক্ষনিক লেগেই থাকে।

ডাক্তার স্বল্পতার কারণে রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিদিন। এছাড়া অভিজ্ঞ ডাক্তার সংকটের ফলে জটিল রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ।

কেশবপুর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে চিকিৎসকের পদ হলো ৩১ টি। এর মধ্যে ২০ জন তরুণ চিকিৎসক থাকলেও ১১ জন কনসালটেন্ট এর পদ দীর্ঘদিন যাবত শূন্য।

বৃহস্পতিবার কেশবপুর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে বর্হিবিভাগে দেখা গেছে ডাক্তারের স্লিপ নেওয়ার জন্য রোগীদের লম্বা লাইন। ১ নবেম্বর হতে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালের বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন ৬ হাজার ২শ’৩৫ জন রোগী। এর মধ্যে ২৬ নভেম্বর বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেছেন ৩শ’৪৪ জন।

বিপুল সংখ্যক রোগীদের উপস্থিতির কারণে অল্প সংখ্যক ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম লেগে যায়। একজন ডাক্তারকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হয় যা সম্পূর্ণ অকল্পনীয়। এছাড়াও আন্ত বিভাগে গত ২২ দিনে রোগী ভর্তি হয়েছে ৪শ’২১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১শ’৭৩ জন ও মহিলা রোগী ২শ’৪৮ জন। ২৬ নবেম্বর হাসপাতালে ভর্তি রোগী ছিলো ৫২ জন। ২৬ দিনে অপারেশন থিয়েটারে সিজার হয়েছে ১১ জন রোগী। অনেক স্থানীয় রোগিরা অভিযোগ করে বলেছেন, হাসপাতালে আগে অভিজ্ঞ ডাক্তাররা ছিল। তারা চলে যাবার পর যারা এসেছেন, তারা সবেমাত্র পাশ করেছেন। রোগির প্রতি এদের তেমন আগ্রহ না।

এ ব্যাপারে কেশবপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুর হাসপাতালটি ভৌগলিক অবস্থানের কারণে রোগীর ভিড় সব সময় লেগেই থাকে। ৫০ শয্যার হাসপাতাল থাকার পরও অধিকাংশ সময়ে ৭০ থেকে ৭৫ জন রোগী ভর্তি থাকে। যার কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের জনবল কাঠামো প্রয়োজনমত থাকা দরকার। – আজিজুর রহমান। ভিজিট করুন

কেশবপুর হাসপাতাল স্বাস্থ্য সেবায় এগিয়ে চলেছে

1 thought on “১১ চিকিৎসকের পদ শূণ্য থাকায় কেশবপুর হাসপাতালে সেবা পেতে ভোগান্তি

Comments are closed.