ফিচার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেশবপুর প্রতিনিধি!!
মাঁচায় মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কেশবপুরের কৃষকরা । যার ফলে প্রতি বছর মিষ্টি কুমড়ার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নে। গ্রামের মাঠে মাঠে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন হওয়ায় ব্যবসায়ীদের কাছে গ্রামটি মিষ্টি কুমড়ার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠে মাঠে মাঁচায় মিষ্টি কুমড়ার চাষ। বিশেষ করে, মাঁচায় চাষ করা কুমড়ার ক্ষেতে বাম্পার ফলন ধরায় কৃষকের মুখেও হাসি ফুটেছে। মাঁচায় মিষ্টি কুমড়ার ক্ষেত পরিচর্যা করার সময় কৃষক ফজলুর রহমান গাজীর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, গত তিন বছর ধরে এ চাষ করছেন তিনি । প্রথম বছর ১৬ শতক জমিতে চাষ করে ভাল ফলন পাওয়ায় এ চাষে আরও আগ্রহী হয়ে উঠেন। পরের বছর চাষ বৃদ্ধি করে ভাল লাভবান হন। এবার তিনি ৫৬ শতক জমিতে চাষ করে বাম্পার ফলন করেছেন। মাঁচায় শত শত মিষ্টি কুমড়া ঝুলে পাকতে শুরু করায় ওই কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটে উঠেছে।

ক্ষেত পরিচর্যার সময় ওই কৃষক আরও বলেন, বাম্পার ফলনের কারণে এ বছর তিনি প্রায় লক্ষাধিক টাকা লাভ হবেন। একই গ্রামের কৃষক সিদ্দিকুর রহমান, কামরুল ইসলাম, মকবুল হোসেনসহ প্রায় দেড়শতাধিক কৃষকের ক্ষেতেও মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন ধরেছে।

ওই গ্রামের  শহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষকরা মাঁচায় আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে সাড়া ফেলায় গ্রামটি ইতিমধ্যে মিষ্টি কুমড়ার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কৃষক ওজিয়ার রহমান বলেন, তাদের উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া বিক্রির জন্য হাট বাজারে নিয়ে যাওয়া লাগেনা। ব্যবসায়ীরা ক্ষেতে এসেই কিনে নিয়ে যান। সে ক্ষেত্রেও কৃষকরা লাভবান হন। গ্রামের দেড় শতাধিক কৃষক প্রায়  ২০০ বিঘা জমিতে এবার মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে সাড়া ফেলেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মহাদেব চন্দ্র সানা জানান, মাঁচায় আধুনিক পদ্ধতির মিষ্টি কুমড়ার চাষ খুবই পরিবেশ বান্ধব। মাছি পোকা দমনের জন্য সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে যা পরিবেশ বান্ধব। এ চাষে কীটনাশক ব্যবহার না করলেও চলে। মজিদপুর ইউনিয়নের বাগদহা গ্রামে এ চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। যে কারণে প্রতিবছর  ওই গ্রামটিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.